আগামীকালকেই সারাদেশ জুড়ে পালিত হবে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। ঈদে যারা কোরবানি দিবেন তাদের সবার জন্যেই কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণ করা এক ভোগান্তির নাম। ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার কাঁচা চামড়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা আগে হাজারীবাগে নিয়ে আসতেন। কিন্তু ২০১৭ সাল থেকে সাভারের হেমায়েতপুরে ট্যানারি বাজার স্থানান্তরিত হওয়ায় কাঁচা চামড়া যথাযথ উপায়ে সংরক্ষণ তা স্থানান্তর করা কষ্টকর হয়ে যায়।
পশুর চামড়া সংরক্ষণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রথম আলোয় লিখেছেন মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন, মাত্র ১০০ টাকা খরচ করেই নিজ থেকেই সংরক্ষণ করা যাবে কোরবানীর পশুর চামড়া। একটী মাঝারি আকারের একটি গরুর চামড়া সংরক্ষণে ৮-১০ কেজি লবণ লাগে। কোরবানির পর লবণ দিলে সেই চামড়ার মান নষ্ট হয় না, বরং দেড় মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা সম্ভব।
প্রচণ্ড গরমের কারণে কোরবানির পর চার ঘণ্টার মধ্যেই পশুর চামড়ায় লবণ দেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে চামড়া নষ্ট হতে শুরু করে। তাই যিনি কোরবানি দেবেন, চামড়া সংরক্ষণের প্রাথমিক দায়িত্ব তারই নেয়া উচিত। কোরবানির পর লবণ দিলে সেই চামড়ার মান নষ্ট হয় না, বরং দেড় মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা সম্ভব।
