আল-জামিল’স গ্রিল ফিশ অ্যান্ড বারবিকিউ পেল উদ্যোক্তা সম্মাননা

0
652

দুই বন্ধু আসলাম ফকির ও এস এম শাহীনের উৎসাহে সাধারণ একটা রেস্তোরাঁ দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন জামিল। কিন্তু মন ভরছিল না। পেশা হিসেবে এমন কিছু করতে চাচ্ছিলেন, যেটা হবে ব্যতিক্রমী ও আনন্দময়।

পথ খুলে দিল তাঁর এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছেলে। একদিন আড্ডায় বন্ধুদের সে বলে ফেলল, ‘আমার বাবা খুব ভালো ফিশ কাবাব বানাতে পারেন। কাবাব খাওয়ার দাওয়াতও দিয়ে এল সবাইকে। কিন্তু বাড়িতে তখন গ্রিল করার চুলো নেই। ছেলের মন রাখতে জামিল দোকান থেকে বড় একটা চুলো বানিয়ে আনলেন। সেটা দিয়েই হলো অতিথি আপ্যায়ন।

এরপর একদিন ছেলেই বলল, চুলোটাকে ফেলে না রেখে এটা দিয়ে হোটেলে সামুদ্রিক মাছের কাবাব বানানো শুরু করলে কেমন হয়? প্রথমে আপত্তি ছিল জামিলের। ভেবে দেখলেন ব্যতিক্রম কিছু করার এই তো সুযোগ!

পুরোনো নেশাটা জেগে উঠল আবার। আল-জামিল হোটেল সেই থেকে শুধুই ফিশ কাবাবের দোকান। অল্প কয়দিনেই এর সুনাম-সুবাস ছড়িয়ে পড়েছে খুলনা মহানগরে। খুলনার বিখ্যাত আব্বাস আর কামরুলের চুই ঝালের মাংসের সঙ্গে উচ্চারিত হতে শুরু করেছে জামিলের ফিশ কাবাবের নামও।

খুলনায় অনুশীলন ক্যাম্প চলাকালীন মাশরাফি-সাকিবসহ জাতীয় দলের আরও কয়েকজন ক্রিকেটার গিয়েছিলেন জামিলের ফিশ কাবাবের স্বাদ নিতে।

২০২১ সালের কাজের সাফল্যের জন্য আল-জামিল’স গ্রিল ফিশ অ্যান্ড বারবিকিউ-কে আইপিডিসি নিবেদিত উদ্যোক্তা সম্মাননা ২০২১ প্রদান করেছে।