গত ১৪ই জুলাই ড্যাফোফিল ইউনিভার্সিটির ৭১ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল অন্ট্রেপ্রেনারশিপ ওয়ার্ল্ড কাপ এর জাতীয় ফাইনাল পর্ব। ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির আয়োজনে এই বাংলাদেশের জাতীয় পর্যায়ে অন্ট্রেপ্রেনারশিপ ওয়ার্ল্ড কাপে প্রথম পুরষ্কার অর্জন করে সিগমাইন্ডের এর প্রতিষ্ঠাতা তানভির তাবাসসুম। এডুব্লোক, এডু-টেক প্রোডাক্টস ফর লার্নিং এসটিএম এবং রোবটিক্স ১ম রানারআপ হয়। আর ২য় রানারআপ হয় হ্যালোটাস্ক, স্কুল অফ মাইডাস, সল্যুশন অফ হাউজহোল্ড।
এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন ড্যাফোফিল ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার মিঃ হামিদুল হক খান। এছাড়াও ড্যাফোফিল ইউনিভার্সিটির ইনোভেশন অ্যান্ড অন্ট্রেপ্রেনারশিপ বিভাগের প্রধান মোঃ শিবলী শাহরিয়ার এবং অন্ট্রেপ্রেনারশিপ ওয়ার্ল্ড কাপ বাংলাদেশ প্রতিযোগিতার কান্ট্রি ডিরেক্টর মোঃ আসিফ ইকবাল উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিযোগিতাটির বিচারক হিসেবে ছিলেন বিডি ভেঞ্চার লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মিঃ সাখাওয়াত হোসেন, আইসিটি মন্ত্রণালয়ের স্টার্ট আপ বাংলাদেশের ইনভেস্টমেন্ট অ্যাডভাইজার মিস টিনা জাবিন, লাইটক্যাসেল পার্টনারস এর সিইও মিঃ বিজন ইসলাম, বাংলাদেশ এঙ্গেলস এর সিইও মিঃ নির্ঝর রাহমান এবং সহজের মার্কেটিং ডিরেক্টর শেজামি খালিল।
এই প্রতিযোগিতার বিজয়ী বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে এই বছরের নভেম্বরে সৌদি আরবের, রিয়াদে অন্ট্রেপ্রেনারশিপ ওয়ার্ল্ড কাপের ফাইনাল রাউন্ডে। পাশাপাশি দলটিকে পুরস্কৃত করা হবে ৫০০,০০০ ইউএস ডলার মুল্যের প্রাইয-প্যাকেজে। যার মধ্যে প্রয়োজনীয় বিজনেস অ্যাডভাইজ, গাইডেন্স এবং কিছু বিখ্যাত কোর্পোরেট লিডারের কাছে সেবা যেমনঃ ওরাকেল, গুগোল ক্লাউড, সোপিফাই, স্ল্যাক এন্ড স্ট্রাইপ, যাদের সাপোর্ট করবে মিসক ফাউন্ডেশন এবং জিভিএস ল্যাব।
গ্লোবাল অন্ট্রেপ্রেনারশিপ নেটওার্কের এর উদ্যোগ হল অন্ট্রেপ্রেনারশিপ ওয়ার্ল্ড কাপ ( ই ডব্লিউ সি ) এবং নানা ধরনের জাতীয় ও বৈশ্বিক পার্টনার দিয়ে সাপোর্ট করছে মিসক গ্লোবাল ফোরাম, যার মধ্যে গ্লোবাল এডুকেশন এন্ড লিডারশীপ ফাউন্ডেশন এবং জিএস ভাল্বসও আছে।
১৮৪ টি দেশ থেকে ১০২,০০০ এর ও অধিক প্রতিযোগী অন্ট্রেপ্রেনারশিপ ওয়ার্ল্ড কাপ ( ই ডব্লিউ সি ) এ প্রতিযোগিতা করবে। গ্লোবাল ফাইনালিস্টরা একে অপরের মুখোমুখি হবেন আগামী নভেম্বরে অন্ট্রেপ্রেনারশিপ উইকে।
অন্ট্রেপ্রেনারশিপ ওয়ার্ল্ড কাপ গ্লোবালের প্রস্তুতির জন্য তানভির তাবাসসুম একটি একসিলারেশন প্রোগ্রামে অংশ গ্রহন করবে যেখানে ভার্চুয়াল ট্রেনিং থেকে শুরু করে ওয়ান- টু – ওয়ান মনিটরিং এর মাধ্যমে তাদের কোম্পানিং কারেন্ট স্টেজ এবং গ্রোথ সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যাবে।
