Home কর্মসূচি উদ্যোক্তা সম্মাননা লুনা শামসুদ্দোহা নারী উদ্যোক্তা সম্মাননা পেলেন আছিয়া নীলা

লুনা শামসুদ্দোহা নারী উদ্যোক্তা সম্মাননা পেলেন আছিয়া নীলা

0
লুনা শামসুদ্দোহা নারী উদ্যোক্তা সম্মাননা পেলেন আছিয়া নীলা

বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটোয়ারীর অনুপ্রেরণায় নীলা ২০১৩ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠা করেন উইমেন ইন ডিজিটাল। দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। টেকনোলজির মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখে এই প্রতিষ্ঠানটি। পাশাপাশি ইন্টারনেটের মাধ্যমে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতেও কাজ করে যাচ্ছে।

এখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি ১৮ হাজারের বেশি নারীকে আইটি প্রশিক্ষণ দিয়েছে এবং ১৩ হাজারের বেশি নারীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে। বাংলাদেশের পাঁচটি ভিন্ন গ্রামে এবং নেপালে তাদের টেকনিক্যাল স্কুল রয়েছে। যে স্কুলগুলোতে তারা নারীদের বিভিন্ন টেকনিক্যাল বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা
করে থাকে।

অজ পাড়াগাঁয়ের একজন নারী প্রোগ্রামার হয়ে উঠবে খুব সহজে এটা সম্ভব নয়, কিন্তু আইটিতে এমন কিছু জিনিস আছে যা শিখে ওই মেয়েটির একজন আইটি প্রফেশনাল হতে পারে। উইমেন ইন ডিজিটাল ঠিক সে জায়গাটা খুঁজে বের করে সেই অনুযায়ী কারিকুলাম তৈরী করে সেখানেই কাজ করে।

উইমেন ইন ডিজিটাল সম্পূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক কাজের উপর নির্ভরশীল একটি আইটি কোম্পানি যা নারী দ্বারা পরিচালিত। ২০২০ সালে ইউনিভার্সিটি অফ আরিজনা থেকে এসডিজি পুরস্কার লাভ করে উইমেন ইন ডিজিটাল। ২০২০ সালে ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন পরিচালিত ডিজিটাল ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ এর উইমেন ইন টেক ইকোসিস্টেম বিল্ডার ক্যাটাগরিতে সাসটেইনেবল বিজনেস মডেল হিসেবে উইমেন ইন ডিজিটাল অ্যাওয়ার্ড পান।

আছিয়া নিলা শুধুমাত্র উইমেন ইন ডিজিটাল নিয়ে কাজ করছেন না, তিনি একজন প্রযুক্তিবিদ হিসেবে নিজেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন এর একজন আইটি এক্সপার্ট এবং রিসার্চার হিসেবে এলায়েন্স ফর এফডাবল ইন্টারনেটে হিসেবে কাজ করছেন বিগত বছর ধরে। এ বছর ফেসবুক আছিয়া নীলাকে একজন কোচ / জাজ হিসেবে সিলেক্ট করেছেন তাদের কমিউনিটি এক্সেলেটর প্রোগ্রামে।

তথ্য-প্রযুক্তি খাতে আছিয়া নীলার অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ চাকরি খুঁজব না চাকরি দেব প্ল্যাটফর্ম তাঁকে লুনা
শামসুদ্দোহা নারী উদ্যোক্তা সম্মাননা ২০২১ প্রদান করেছে।