২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রাক্কলন অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের অবদান ছিল প্রায় ১১.৮৯ শতাংশ। সম্ভাবনাময় এ খাতকে আরও গতিশীল ও প্রতিযোগিতামূলক করতে সরকার একাধিক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে।
গতকাল সোমবার ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এসএমই খাতের উন্নয়নে সরকারের নীতিগত অঙ্গীকার তুলে ধরেন।
তিন বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনায় যা থাকছে:
- ১৫ হাজার নতুন উদ্যোক্তা তৈরি
- ২৫ হাজার উদ্যোক্তাকে দক্ষতামূলক ও কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদান
- বিভাগীয় শহরগুলোতে এসএমই পণ্যের ডিসপ্লে ও সেলস সেন্টার স্থাপন
- জেলা পর্যায়ে আঞ্চলিক এসএমই পণ্য মেলা আয়োজন
- সিএমএসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ গঠন
- নারী ও প্রান্তিক পর্যায়ের ১০ হাজার উদ্যোক্তার মাঝে ১ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণ
- ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ৩ হাজার নারী উদ্যোক্তার সঙ্গে কর্পোরেট ক্রেতার সংযোগ স্থাপন
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি হবে, যা তাদের উৎপাদনশীলতা ও বাজারে প্রবেশাধিকারের সুযোগ বাড়াবে। পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তাদের ডিজিটাল সক্ষমতা ও কর্পোরেট সংযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে দেশে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক এসএমই ইকোসিস্টেম গড়ে উঠবে।
উল্লেখ্য, এসএমই খাত ইতোমধ্যে দেশের লক্ষাধিক উদ্যোক্তার জীবিকা ও আয়ের উৎস হিসেবে কাজ করছে। শিল্পায়ন প্রক্রিয়া বিকশিত করতে ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে এই খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
