এদেশের পর্যটন খাতে বিনিয়োগের বিরাট সুযোগ আছে। যাদের বিনিয়োগ করার মত টাকা আছে, তারা ভেবে দেখতে পারেন। দেশের বিভিন্ন জায়গার যদি ইকো-রিসোর্ট বানিয়ে প্রচারনা চালাতে পারেন, অনেক চলবে। এই ধরনের রিসোর্ট গুলোতে থাকার ব্যাপারে বিদেশীরা খুবই আগ্রহী। নভেম্বর মাসে শ্রীমঙ্গলের ইকো রিসোর্টগুলো ১০০% বুকড!
কেমন হবে এই রিসোর্টগুলো? সুন্দর কোন জায়গায় বাশ, কাঠ, খড়, মাটি ইত্যাদি দিয়ে বানাতে হবে। সমস্ত ফার্নিচার হবে কাঠ-বাঁশ ইত্যাদির তৈরী যা পরিবেশের সাথে একদম মিলে যাবে। শুধু বাথরুম হতে হবে হাই স্ট্যাণ্ডার্ড। ইংলিশ কমোড, হট ওয়াটার, ওয়াশ বেসিন মাস্ট। এসির কোন দরকারই নেই। আর থাকতে হবে ওয়াই-ফাই ইন্টারনেট।
আর ইকো কটেজগুলোকে ভিত্তি করে গড়ে তুলতে হবে বিভিন্ন ইকো ট্যুর প্ল্যান। যেমন যশোর এলাকা কোন ভাবেই ট্যুরিস্ট এলাকা নয়। কিন্তু এখানে যদি এরকম একটি ইকো রিসোর্ট করে আপনি সাথে কিছু একটিভিটজ রাখতে পারেন, যেমন – গরুর গাড়িতে চড়িয়ে গেস্টদের এলাকা পরিদর্শন, কাছাকাছি কোন কুমার পল্লী থাকলে সেখানে পর্যটকদের নিয়ে ঘুরিয়ে আনা, নিজের হাতে তাদের মাটির জিনিসপত্র বানাতে শিখানো, কাছাকাছি নদী থাকলে সেখানে নৌকা করে ঘুরানো ইত্যাদি।
খুব বেশী টাকার প্রয়োজন নেই। শুধু প্রয়োজন সুন্দর পরিকল্পনা। গ্রপের অনেকে মিলে একসাথে কাজটা করা যায় ইচ্ছে করলে। পুরো প্রোজেক্টের জন্য ১০,০০০ টাকা করে শেয়ার ছাড়া যায়। বছর শেষে যার যার শেয়ার অনুযায়ী লভ্যাংশ পাবে।
সারা দেশেই এ ধরনের ইকো রিসোর্ট গড়ে তোলা যায়। আগ্রহীরা ভেবে দেখতে পারেন। প্রচুর কাস্টমার পাবেন – সবই বিদেশী। এই খাতে বিনিয়োগের আরো অনেক অনেক জায়গা আছে।
লেখক- Rasedul Hasan Khan
